প্রকাশিত: ১০ মে ২০২৬ , ০৭:২৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুরের
কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হত্যার ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়।
নিহত মা, তার তিন মেয়ে ও ছোট ভাইকে রোববার গোপালগঞ্জে পাশাপাশি কবরে দাফন করা হয়েছে।
স্বজনদের কান্না আর আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ।
রোববার
সকালেই ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহগুলো গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে
সেখানে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বাড়ির আঙিনায় স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর
ভিড় জমে যায়। যে উঠানে কয়েকদিন আগেও শিশুদের কোলাহল ছিল, সেখানেই তাদের শেষ বিদায়ের
আয়োজন করা হয়।
নিহতরা হলেন শারমিন আক্তার, তার তিন মেয়ে এবং ছোট ভাই রসুল মোল্লা। পরে গ্রামের কবরস্থানে সারিবদ্ধভাবে পাঁচটি কবরে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়। স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই পারিবারিক কলহ ও নির্যাতনের মধ্যে ছিলেন শারমিন। তার স্বামী ফোরকান মিয়ার বিরুদ্ধে নির্যাতন, সন্দেহপ্রবণ আচরণ ও যৌতুকের চাপ দেওয়ার অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। নিহতের বাবা শাহাদাৎ মোল্লা কাপাসিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পলাতক স্বামী ফোরকানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ফোরকান পলাতক রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পুলিশের ভাষ্য, এটি একটি স্পর্শকাতর ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, শনিবার ভোরে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা এলাকা থেকে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
এসবিএন
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10