প্রকাশিত: ১৫ মে ২০২৬ , ১২:৩২ এএম
অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুরের
কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালককে নৃশংসভাবে
হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি ফোরকান মোল্লা পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত কোনো মরদেহ উদ্ধার হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন এ তথ্য জানান। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান ঢাকা থেকে একটি প্রাইভেটকারে পদ্মা সেতুর ওপর যান। সেখানে তিনি নিজের ব্যাগ ও মোবাইল ফোন রেখে নদীতে লাফ দেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন একটি বাসের হেলপারের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ওই হেলপার পুলিশকে জানান, তিনি মোবাইলটি পদ্মা সেতুর ওপর পড়ে থাকতে দেখেন।
পুলিশ
সুপার বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে এক ব্যক্তি প্রাইভেটকার
থেকে নেমে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর রেলিং টপকে
নদীতে ঝাঁপ দেন। যদিও ফুটেজে মুখ স্পষ্ট না হওয়ায় শতভাগ
নিশ্চিত হওয়া যায়নি যে ব্যক্তি ফোরকানই
ছিলেন।
ভিডিওটি
নিহত শারমিনের বাবা এবং ফোরকানের ভাইসহ স্থানীয় কয়েকজনকে দেখানো হলে তারাও ধারণা করেন, ঝাঁপ দেওয়া ব্যক্তিটি ফোরকান হতে পারেন। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে মরদেহ উদ্ধার ও ডিএনএ পরীক্ষার
প্রয়োজন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গত ৯ মে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা এলাকায় প্রবাসী মুজিবুর মিয়ার ভাড়া বাসায় স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালককে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক জানান, নিহতদের মধ্যে চারজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে এবং দেড় বছরের এক শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এছাড়া হত্যার আগে তাদের চেতনানাশক বা নেশাজাতীয় কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কি না, তা জানতে নমুনা পরীক্ষার জন্য সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।
এসবিএন
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10