প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ , ০১:২০ এএম
অনলাইন সংস্করণ
শেরপুরের
ঝিনাইগাতী উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর
মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে সেনাসদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত
হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী
ও স্থানীয় সূত্র জানায়, অনুষ্ঠানের আসন বিন্যাস ও বসার স্থান
নির্ধারণ নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের
মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি এবং
পরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষ
চলাকালে বিএনপির নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন সদর সড়কে। জামায়াতের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন স্টেডিয়ামের ভেতরে । উভয় পক্ষ
একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে কয়েকজন সেনাসদস্য আহত হন। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংঘর্ষ
থামার কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যায় ঝিনাইগাতী
উপজেলা শহরের স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুনরায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আবারও
দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা
জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। শেরপুর–৩ আসনের জামায়াত
মনোনীত প্রার্থী ও ছাত্রশিবিরের সাবেক
কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম রেজাউল করিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার পর ঝিনাইগাতী উপজেলা জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি চলছে।
এসবিএন
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10