প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০২৬ , ১২:৪৫ এএম
অনলাইন সংস্করণ
ডি প্লোমা
ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস সীমিত বা বন্ধ হওয়ার
সম্ভাবনা নিয়ে দেশের হাজারো প্রশিক্ষিত পেশাজীবীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে শুধু কর্মসংস্থানই নয়, গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাধারণ মানুষের প্রাথমিক দন্তসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। পেশাজীবীদের তথ্যমতে, দেশে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিবছর চার বছর মেয়াদি (পূর্বে তিন বছর মেয়াদি) ডিপ্লোমা ইন ডেন্টাল টেকনোলজি এবং উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী কর্মজীবনে প্রবেশ করছেন। দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা এই জনশক্তির অনেকেই নিজস্ব চেম্বার পরিচালনা বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দন্তস্বাস্থ্যসেবা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
তাদের মতে, যদি ডিপ্লোমাধারী ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের জন্য প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সুযোগ না থাকে, তাহলে দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে নতুন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। পেশাজীবীরা আরও উল্লেখ করেন, দেশের অনেক প্রত্যন্ত এলাকায় বিশেষজ্ঞ দন্তচিকিৎসকের সংখ্যা তুলনামূলক কম। ফলে সেসব অঞ্চলের মানুষ প্রাথমিক দন্তসেবার জন্য ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের ওপর নির্ভর করেন। প্র্যাকটিসের সুযোগ সংকুচিত হলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য সহজলভ্য দন্তসেবা পাওয়া কঠিন হয়ে যেতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।
এ
পরিস্থিতিতে তারা প্রাইভেট প্র্যাকটিস পুরোপুরি বন্ধ না করে একটি
নিয়ন্ত্রিত প্র্যাকটিস রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন। তাদের মতে, সরকার নির্ধারিত কর্মপরিধি, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, রিফ্রেশার কোর্স, দক্ষতা মূল্যায়ন এবং লাইসেন্সিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের কার্যক্রম তদারকি করতে পারে। এতে রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সাশ্রয়ী দন্তসেবা বজায় থাকবে এবং প্রশিক্ষিত জনশক্তির কর্মসংস্থানও রক্ষা পাবে।
ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের প্রতিনিধিরা সরকারের প্রতি বিষয়টি জনস্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও সামাজিক বাস্তবতার আলোকে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি গ্রহণযোগ্য, বাস্তবসম্মত ও টেকসই নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এসবিএন
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10