স্বাধীনবাংলা, আন্তর্জাতিক ডেস্ক : স্বাধীনবাংলা, আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

প্রকাশিত: ০৫ জুলাই ২০২৬ , ০৮:০৭ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

#

তেহরানে আলি খামেনির প্রথম জানাজা, গ্র্যান্ড মোসাল্লায় মানুষের ঢল

  ই   রানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রথম জানাজার নামাজ রাজধানী তেহরানের ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত এ জানাজায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। পুরো এলাকা শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ জানিয়েছে, জানাজার নামাজে ইমামতি করেন দেশটির বিশিষ্ট ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই গ্র্যান্ড মোসাল্লার মূল প্রাঙ্গণ এবং আশপাশের সড়কগুলো শোকাহত মানুষের ভিড়ে পূর্ণ হয়ে যায়। আধা-সরকারি তাসনিম নিউজের তথ্য অনুযায়ী, জানাজার পর মরহুমের স্মরণে ধারাবাহিক শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার তেহরানে এবং মঙ্গলবার পবিত্র শহর কোমে শোক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরবর্তী ধাপে মরদেহ ইরাকের পবিত্র শহর নজফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। সেখানে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার দাফনের জন্য মরদেহ ইরানের মাশহাদে ফিরিয়ে আনা হবে। আলি খামেনির রাজনৈতিক জীবন

১৯৩৯ সালে ইরানের ধর্মীয় নগরী মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের আগে শাহবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে তিনি পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে দেশের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন। দীর্ঘ কয়েক দশকের নেতৃত্বে তিনি ইরানের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তবে শাসনের শেষ দিকে অর্থনৈতিক সংকট, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক উত্তেজনা তার সরকারকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে।

তার মৃত্যুর পর নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোজতবা খামেনি। এদিকে আলি খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে ইরানজুড়ে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে।


এসবিএন