প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৬ , ১২:০৫ এএম
অনলাইন সংস্করণ
ওয়াশিংটন:
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ থাকলেও তা কাজে লাগানো
হয়নি এবং প্রয়োজন হলে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখা হতে পারে।
মার্কিন
গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প
বলেন, ইরানের সামনে একটি সমঝোতার সুযোগ ছিল, কিন্তু তারা তা গ্রহণ করেনি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র আরও পদক্ষেপ নিতে পারে।
সম্প্রতি
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনার জেরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভেতরে কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান
বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত
মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প
অভিযোগ করেন, ইরান দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণ করছে। একই সঙ্গে তিনি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার হুমকিও পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে এ ধরনের পদক্ষেপ
আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক উদ্বেগের
প্রশ্নও সামনে এনেছে।
অন্যদিকে,
ইরানি নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে
তারা কোনো আপস করবে না। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুদ্ধ দেশটির জন্য কাম্য নয়, তবে দেশের মর্যাদা ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতা
রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ইরানের
পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হাজি বাবাইও মন্তব্য করেছেন যে, কূটনৈতিক সমাধান তখনই সম্ভব যখন ইরানের দাবি ও অধিকারকে সম্মান
জানানো হবে। তিনি দাবি করেন, অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপের
মুখেও ইরান নিজেদের অবস্থানে অটল থাকবে।
এদিকে,
যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও ট্রাম্পের ইরাননীতি নিয়ে সমালোচনা বাড়ছে। বিরোধী ডেমোক্র্যাট নেতারা অভিযোগ করেছেন, চলমান সংকট মোকাবিলায় প্রশাসনের কৌশল প্রশ্নবিদ্ধ এবং এর প্রভাব জ্বালানি
ও নিত্যপণ্যের বাজারেও পড়তে শুরু করেছে।
বিশ্লেষকদের
মতে, সাম্প্রতিক উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ সংকুচিত হওয়ার
আশঙ্কা তৈরি করেছে।
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10