প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ , ০৩:৪২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
সংযুক্ত
আরব আমিরাতের (ইউএই) ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে বড় ধরনের
পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ওপেকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে থাকা
ইউএই এখন স্বাধীনভাবে তেল উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়ানোর পথে হাঁটছে।
বিশ্লেষকদের
মতে, ওপেকের নির্ধারিত উৎপাদন কোটার কারণে ইউএই তাদের পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগাতে
পারছিল না। ফলে জোট ছাড়ার মাধ্যমে দেশটি এখন দৈনিক তেল উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে
পারবে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি করতে পারে।
এই
সিদ্ধান্তের ফলে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন ওপেকের অভ্যন্তরীণ ঐক্য প্রশ্নের মুখে পড়তে
পারে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, ইউএই উৎপাদন বাড়ালে সৌদি আরব মূল্যযুদ্ধ শুরু করতে
পারে, যা তেলের দামে বড় ধরনের ওঠানামা সৃষ্টি করবে।
বর্তমানে
বিশ্ববাজারে তেলের দাম উচ্চ পর্যায়ে থাকলেও ভবিষ্যতে ইউএইর বাড়তি উৎপাদন দামের ওপর
চাপ সৃষ্টি করতে পারে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে নতুন পাইপলাইন পরিকল্পনা ইউএইর
জ্বালানি রপ্তানিকে আরও শক্তিশালী করবে।
বিশ্বজুড়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং বিকল্প শক্তির উন্নয়নের মধ্যে ইউএইর এই পদক্ষেপকে অনেকেই ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন। সার্বিকভাবে, আরব আমিরাতের ওপেক ত্যাগ বৈশ্বিক তেলবাজারে শক্তির ভারসাম্য বদলে দিতে পারে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।
এসবিএন
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10