স্বাধীনবাংলা রির্পোটঃ স্বাধীনবাংলা রির্পোটঃ

প্রকাশিত: ০১ মার্চ ২০২৬ , ০৫:৩০ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

#

রমজানের ১১তম রোজা: নাজাতের সূচনা ও ১১তম পারার ফজিলত

 র  মজান মাসের ১১তম দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। রহমত মাগফিরাতের পর শুরু হয় নাজাতের পর্ব। জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির আশায় এই সময় ইবাদত-বন্দেগিতে আরও বেশি মনোযোগী হন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

রমজানের প্রতিটি রোজাই আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ নিয়ামত। তবে ১১তম রোজা নাজাতের প্রথম দিন হিসেবে আত্মশুদ্ধি গুনাহ থেকে মুক্তির অঙ্গীকারের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এই দিনে বেশি বেশি তওবা, ইস্তেগফার, দোয়া কোরআন তিলাওয়াতের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পবিত্র কোরআনের ১১তম পারায় মূলত মানবজাতির হেদায়েত, নবীদের দাওয়াত এবং আল্লাহর একত্ববাদের বর্ণনা উঠে এসেছে। এতে হযরত ইউসুফ (.)-এর ধৈর্য তাকওয়ার শিক্ষা বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে, যা মুমিনের জীবনে পরীক্ষার সময় ধৈর্য ধারণের অনুপ্রেরণা দেয়।

১১তম পারার তেলাওয়াত মানুষকে আত্মসমালোচনায় উদ্বুদ্ধ করে এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখার শিক্ষা দেয়। রমজানের সময় কোরআন পাঠ আমলের মাধ্যমে অন্তর পরিশুদ্ধ করা এবং নাজাতের পথে অগ্রসর হওয়াই একজন রোজাদারের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে রমজানের নাজাতের দিনগুলোতে বেশি বেশি ইবাদত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


এসবিএন