প্রকাশিত: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১০:৫৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য ১ হাজার ৫১ জন কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নির্বাচন উপলক্ষে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স, বিশেষ করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে এসব কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (২০০৯ সালের সংশোধনীসহ) এর ১০(৫) ধারার আওতায় আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এই সময়ে তফসিলভুক্ত আইনের আওতায় অপরাধ দমন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন : দুই দশক পর বরিশালে তারেক রহমান, জনসভা ঘিরে উপকূলে রাজনৈতিক উত্তাপ
নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেটদের দায়িত্ব পালনের আগে প্রশিক্ষণ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী—রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে
নিয়োগপ্রাপ্তরা ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল
১০টায় (প্রথম ব্যাচ) খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে
নিয়োগপ্রাপ্তরা একই দিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে (দ্বিতীয়
ব্যাচ), জুম প্ল্যাটফর্মে অনলাইনে প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন। সংশ্লিষ্ট জুম মিটিংয়ের আইডি ও পাসকোড সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তাদের মোবাইল ও ই-মেইলে
পাঠানো হবে।
এছাড়া, সব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা রিটার্নিং অফিসারের কাছে বাধ্যতামূলকভাবে যোগদান বা রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন : দানের আলোয় আলোকিত পাগলা মসজিদ
একই
সঙ্গে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা রিটার্নিং অফিসারদের
নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ওইদিন রাত ৮টার মধ্যে যোগদান সংক্রান্ত প্রতিবেদন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। নির্বাচনের আগে ও ভোট চলাকালীন
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10