প্রকাশিত: ২৫ জুলাই ২০২৬ , ০৩:০২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে
আলোচনা তুঙ্গে। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি
নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা থাকায় নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন
করবে।
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন না। জাতীয় সংসদের সদস্যরাই এ নির্বাচনের ভোটার হিসেবে অংশ নেন এবং সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা থেকে শুরু করে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।
বর্তমান সংসদে
বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সদস্য থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত
হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা। এ কারণে নির্বাচনটি বিনা
প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হওয়ার সম্ভাবনার কথাও আলোচনায় রয়েছে।
সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খান। এছাড়া সাবেক কয়েকজন আমলা ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিদের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে। বর্তমান সংসদের ৩৫০ সদস্যের মধ্যে বিএনপির ২৪৭ জন সংসদ সদস্য থাকায় দলটির প্রার্থীই সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা গোপন ব্যালটে ভোট দেন এবং এ ক্ষেত্রে সাধারণ আইন প্রণয়নের মতো দলীয় হুইপ বা সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য নয়।
রাজনীতি বিশ্লেষকদের
মতে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে বিএনপির প্রার্থী সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
নির্ভর করবে দলীয় মনোনয়ন ও নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিলের ওপর।
উল্লেখ্য, সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
স্বাধীনবাংলা.নেট
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10