প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০৯:৩৩ এএম
অনলাইন সংস্করণ
কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও
বাজিতপুর) আসনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগে বিএনপি আরও ১৪ জন নেতাকে
বহিষ্কার করেছে। বহিষ্কৃত নেতারা দল থেকে বহিষ্কৃত
‘হাঁস’ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের পক্ষে সক্রিয় ছিলেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে একই অভিযোগে গত ২৬ জানুয়ারি ১৭ জন নেতাকে বহিষ্কার করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি। সব মিলিয়ে চলমান জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে শেখ মজিবুর রহমান ইকবালসহ মোট ৩২ জন নেতা বহিষ্কারের আওতায় এলেন।
আরও পড়ুন: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ২১ জেলায় ব্যালট পেপার পাঠাল নির্বাচন কমিশন
বিএনপির
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে
জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে
জড়িত থাকার দায়ে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ
থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বহিষ্কৃতদের
মধ্যে নিকলী ও বাজিতপুর উপজেলা
বিএনপি এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের সভাপতি, সহ-সভাপতি ও
সাধারণ সম্পাদকসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা রয়েছেন।
উল্লেখ্য,
নিকলী ও বাজিতপুর উপজেলা
নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে প্রথমে
বিএনপির মনোনয়ন পান শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। তবে পরবর্তীতে মনোনয়ন পরিবর্তন করে বাংলাদেশ জাতীয় দল বিলুপ্ত করে
আসা সৈয়দ এহসানুল হুদাকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এতে মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন।
এদিকে বহিষ্কৃত বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেন বাদল বলেন, শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের আস্থাভাজন নেতা। বহিষ্কারের আশঙ্কা জেনেও আমরা তাঁর পক্ষে কাজ করেছি। এখন বহিষ্কার হওয়ায় আরও দৃঢ়ভাবে তাঁর বিজয়ের লক্ষ্যে মাঠে থাকব। দলীয় এই বহিষ্কার সিদ্ধান্ত কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের নির্বাচনি সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এসবিএন
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10