প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১০:৪২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
তিনি
বলেন, দীর্ঘ সময় পর দেশে একটি অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত
হয়েছে, যা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের
সামনে তিনটি প্রধান লক্ষ্য ছিল—সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন—যা
বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ভাষণে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট স্মরণ করে ইউনূস বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন,
মানবাধিকার সুরক্ষা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নানা
পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রায় ১৩০টি আইন ও সংশোধনী প্রণয়ন এবং শতাধিক প্রশাসনিক আদেশ
জারির কথাও তুলে ধরেন তিনি।
অর্থনীতির প্রসঙ্গে তিনি জানান, দায়িত্ব নেওয়ার সময় ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত সংকটে থাকলেও বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, বাজার তদারকি এবং শ্রমিক অধিকার সুরক্ষায় সংস্কার আনার কথাও বলেন তিনি।
পররাষ্ট্রনীতিতে
সার্বভৌমত্ব ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির ওপর জোর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও চীনের সঙ্গে
কৌশলগত অর্থনৈতিক অগ্রগতির কথাও উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট
আন্তর্জাতিক পরিসরে পুনরায় গুরুত্ব পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন।
ভাষণের শেষাংশে তিনি নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা, দক্ষতা ও সততার মাধ্যমে দেশ গঠনের আহ্বান জানান এবং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ধরে রাখার দায়িত্ব জনগণের ওপর ন্যস্ত করেন।
এসবিএন
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10