স্বাধীনবাংলা, ডেস্ক নিউজ : স্বাধীনবাংলা, ডেস্ক নিউজ :

প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১০:৩১ এএম

অনলাইন সংস্করণ

#

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের এক তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

 

শর্তসাপেক্ষে কিছু যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। সেগুলো হলো

 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর যানবাহন

 

প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের যানবাহন

 

জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন

 

ওষুধ, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী বহনকারী যান

 

সংবাদপত্র পরিবহণকারী যানবাহন

 

এছাড়া বিশেষ ছাড় রয়েছে সাংবাদিক ও জরুরি কাজে। নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন এবং মোটরসাইকেল চলাচল করতে পারবে।

এছাড়া নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনও নিষেধাজ্ঞামুক্ত থাকবে।

বিমানবন্দর ও দূরপাল্লার যান চলবে। প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়— বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যানবাহন (টিকিট বা প্রমাণ সাপেক্ষে), দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহণকারী যানবাহন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও নির্বাচনি এজেন্টের জন্য একটি করে ছোট যান (স্টিকার ও অনুমোদন সাপেক্ষে),নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

 

তবে জেলা প্রশাসনের হাতে বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে। জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর, আন্তজেলা ও মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা কঠোর করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে।

 

এসবিএন